দুদকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মামলাটি ২০২৫ সালের জুনে দায়ের করা হয়েছিল। একই সঙ্গে সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়ম-সংক্রান্ত অভিযোগের অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো আদালতের চূড়ান্ত রায় হয়নি এবং বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগগুলো আইনগতভাবে প্রমাণিত বলে গণ্য করা যায় না।
আপনার দেওয়া লেখাটি অভিযোগ-ভিত্তিক। তাই সেটিকে তথ্যগতভাবে নিরপেক্ষ ভাষায় পুনর্লিখন করা উচিত, যাতে অভিযোগগুলোকে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে উপস্থাপন না করা হয়।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) জানিয়েছে, শেয়ারবাজারে কথিত কারসাজি ও জালিয়াতির মাধ্যমে প্রায় ২৫৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলার তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। সংস্থাটির দাবি, তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ক্রিকেটার ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানসহ মোট ১৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে শিগগিরই চার্জশিট দাখিল করা হবে।
আরো জানুন
A fantastic memorable win of Bangladesh
বৃহস্পতিবার (৬ আগষ্ট, ২০২৬) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে উপ-পরিচালক আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই চার্জশিট আদালতে জমা দেওয়া হবে।
দুদকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ জুন সংস্থার সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় সাকিব আল হাসান ছাড়াও আরও ১৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে শেয়ারবাজারে অনিয়ম, আর্থিক জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্ত করা হয়েছে।
আরও কয়েকটি অভিযোগের অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। অবৈধ সম্পদ, আর্থিক অনিয়ম, অর্থ পাচার, সম্পদের তথ্য গোপন এবং অন্যান্য আর্থিক অপরাধসংক্রান্ত বিষয়।
সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি পৃথক অভিযোগ নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের তদন্তের খবর প্রকাশ ও পাশাপাশি, ২০১৯ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বুকিদের প্রস্তাব গোপন করার ঘটনায় তাকে এক বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করেছিল।
